জাতীয় কীবোর্ডে বাংলা টাচ টাইপিং শিখুন
পাঠ বেছে নিয়ে বর্তমান নির্দেশ অনুযায়ী টাইপ করুন। আগে শুরু করে থাকলে প্রস্তাবিত পাঠ দেখুন। আপনার সক্রিয় ইনপুট জাতীয় কীবোর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন, তারপর অক্ষর, কারচিহ্ন ও ফাঁক দেখে কাজ করুন।
বাংলা টাচ টাইপিং শিখুন: পাঠে নিজের জায়গা বেছে নিন
নতুন শিক্ষার্থী প্রথম পাঠ দিয়ে শুরু করতে পারেন। আগে কিছু কাজ করলে পাঠের ধারায় প্রস্তাবিত জায়গা দেখুন। অগ্রগতি অনুযায়ী পরের পাঠ, চলমান পাঠ বা প্রথম অসমাপ্ত পাঠ সামনে আসতে পারে। শুধু নাম দেখে কোনো কাজকে সহজ বা কঠিন ধরে নেওয়ার বদলে খুলে নির্দেশ পড়ুন। বর্তমান কাজের উদ্দেশ্য এবং কী লিখতে হবে, সেখানেই বোঝা যাবে।
একটি পাঠ আগে করেছেন বলে তার সব নড়াচড়া পরের কাজের জন্য একইভাবে প্রযোজ্য, এমন ধরে নেওয়ার দরকার নেই। নতুন নির্দেশ দেখুন। কোন অক্ষর বা কোন অংশে মনোযোগ দিতে বলা হয়েছে, তা বর্তমান লেখার সঙ্গে মিলিয়ে নিন। অসমাপ্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময়ও প্রথমে নিজের অবস্থান বুঝুন। এতে পুরোনো স্মৃতির ওপর নির্ভর করে ভুল জায়গা থেকে শুরু করার সম্ভাবনা আলাদা করে দেখতে পারবেন।
শুরু করার ধাপ
- পাঠের ধারা দেখুন। প্রথমবার শিখলে প্রথম পাঠ খুলুন; আগে কাজ করলে প্রস্তাবিত পাঠ এবং তার অবস্থা পড়ুন।
- সক্রিয় ইনপুট জাতীয় কীবোর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। শুধু বাংলা ভাষা চালু থাকলেই প্রতিটি বিন্যাসে একই আউটপুট আসবে না।
- বর্তমান পাঠের নির্দেশ পড়ুন। দেওয়া কী ও আঙুলের নির্দেশকে এখনকার কাজের সঙ্গে যুক্ত করুন, অন্য বিন্যাসের অভ্যাসের সঙ্গে নয়।
- অক্ষর, কারচিহ্ন, শব্দের ফাঁক ও বিরামচিহ্ন দেখে টাইপ করুন। পরিচিত অর্থের ভিত্তিতে নিজের মতো শব্দ বদলাবেন না।
- ভুল হলে চাওয়া রূপের সঙ্গে লেখা রূপ তুলনা করুন। পড়ার ভুল, কী চাপার ভুল এবং ইনপুটের অমিল আলাদা কারণ হতে পারে।
- কাজ শেষ করে ফল এবং সারাংশ পড়ুন। নির্দেশ ও ফল অনুযায়ী এগোবেন, নাকি কোনো বিষয় আবার পরীক্ষা করবেন, তা ঠিক করুন।
- শেখা নড়াচড়া বাক্যে ব্যবহার করতে অনুশীলন খুলুন। আলাদা গতি মাপতে চাইলে পরীক্ষায় শর্ত বেছে নিন।
জাতীয় কীবোর্ড ও সক্রিয় ইনপুট মিলিয়ে নিন
এই সংস্করণ জাতীয় কীবোর্ডের জন্য। আপনার যন্ত্রে সক্রিয় ইনপুট সেই বিন্যাসের সঙ্গে মিলতে হবে। অন্য বাংলা ইনপুটের অভ্যাস থেকে একই কী চাপলে ভিন্ন অক্ষর আসতে পারে। কয়েকটি পরিচিত অক্ষর বারবার প্রত্যাশার বাইরে বের হলে প্রথমে ইনপুট দেখুন। কেবল আঙুলের গতি কমালেই বিন্যাসের অমিল দূর হবে, এমন ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
মিল পরীক্ষা করতে তিনটি বিষয় আলাদা করুন: কী চাওয়া হয়েছে, আপনি কোন নড়াচড়া করেছেন এবং কী বের হয়েছে। একই ভুল রূপ বারবার এলে সক্রিয় বিন্যাস দেখুন। কখনো ঠিক, কখনো পাশের অক্ষর এলে আঙুলের শুরু এবং দিক দেখুন। অক্ষরটি ভুল পড়ে থাকলে আগে পড়ার জায়গা ঠিক করুন। একটি দৃশ্যমান ভুলের পেছনে আলাদা কারণ থাকতে পারে।
পাঠে দেওয়া কী ও আঙুলের নির্দেশ ব্যবহার করুন। অন্য বিন্যাসের নিয়ম যোগ করে নতুন অনুমান করার দরকার নেই। কোনো কী কোথায় তা পরিষ্কার না হলে উপলব্ধ নির্দেশ দেখুন, তারপর বর্তমান লেখায় ফিরুন। ইনপুট বদলালে আবার দেখুন যে সাধারণ অক্ষর এবং প্রয়োজনীয় চিহ্ন দুটিই এখন নির্দেশের সঙ্গে মিলছে কি না। একটি মাত্র মিল দিয়ে সব ঠিক হয়েছে ধরে না নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশ পরীক্ষা করুন।
বাংলা অক্ষর ও কারচিহ্ন পড়ে টাইপ করুন
একটি শব্দের অর্থ বুঝতে পারা এবং তার রূপ ঠিক লেখা আলাদা কাজ। কারচিহ্ন বদলালে পরিচিত শব্দও অন্যরকম হয়। মূল লেখায় যে রূপ আছে, সেটিই অনুসরণ করুন। সাধারণ লেখায় আপনার বেশি পরিচিত কোনো বানান থাকলেও এই কাজের সময় নিজের থেকে সেটি বসানোর দরকার নেই। এখানে সামনে থাকা লেখা ঠিকমতো কপি করাই কাজ।
কারচিহ্নের দৃশ্যমান অবস্থান দেখে কী চাপার ক্রম অনুমান করবেন না। সক্রিয় জাতীয় ইনপুট এবং দেওয়া নির্দেশ অনুসরণ করুন। রূপ মেলেনি মনে হলে ছোট অংশে তুলনা করুন: কোন অক্ষর চাওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে কোন চিহ্ন আছে এবং কী লেখা হয়েছে? পুরো বাক্য একসঙ্গে বদলানোর চেষ্টা করলে এই পার্থক্য দেখা কঠিন হতে পারে।
উদাহরণ দিয়ে পার্থক্য দেখুন
ধরা যাক লেখায় “দিন” আছে, কিন্তু আপনি “দীন” লিখেছেন। প্রথমে কারচিহ্ন দেখুন। মনে অন্য শব্দ পড়ে থাকলে পরেরবার বর্তমান রূপ দেখে শুরু করুন। ঠিক রূপ পড়েছিলেন কিন্তু অন্যটি বের হয়েছে, এমন হলে সংশ্লিষ্ট কী এবং ইনপুট পরীক্ষা করুন। একই ছোট পার্থক্যের জন্য পরের কাজ দুটি আলাদা হতে পারে।
আরেকটি উদাহরণে “এই কাজ” এর বদলে “এইকাজ” লেখা হয়েছে। এখানে অক্ষরগুলো থাকলেও শব্দের মাঝের ফাঁক নেই। এই সমস্যার জন্য কারচিহ্নের কী বদলানো মূল সমাধান নয়। শব্দের সীমা পড়ুন এবং পরের শব্দ শুরু করার আগে ফাঁক দিন। ভুলটিকে যত স্পষ্টভাবে শনাক্ত করবেন, পরের চেষ্টা তত নির্দিষ্ট হবে।
শব্দের ফাঁক ও বিরামচিহ্নও কাজের অংশ
পরের শব্দ পড়তে গিয়ে ফাঁক বাদ যেতে পারে। আবার পড়ার সময় থামতে গিয়ে অতিরিক্ত ফাঁকও পড়তে পারে। আপনার লেখা এবং মূল বাক্য পাশাপাশি ভাবুন। দুটি শব্দের অক্ষর ঠিক কিন্তু যুক্ত থাকলে মাঝের সীমা দেখুন। একটি শব্দের সব অক্ষরকে ভুল নড়াচড়া ধরে আবার শুরু করার দরকার নেই। যে অংশ বদলেছে, সেই অংশে মনোযোগ দিন।
বিরামচিহ্ন নিজের সাধারণ লেখার অভ্যাস অনুযায়ী বদলাবেন না। মূল লেখায় দেওয়া চিহ্ন এবং তার পাশের ফাঁক অনুসরণ করুন। অর্থ বোঝা গেলেও চিহ্ন বাদ দিলে আউটপুট আলাদা থাকে। শেষে নিজের থেকে একটি চিহ্ন যোগ করার বদলে শেষ অংশ পড়ুন। কোন চিহ্ন আসবে তা আগে দেখে নেওয়া প্রস্তুতি; মাঝের লেখা বাদ দেওয়ার কারণ নয়।
কোনো চিহ্নে বারবার থামতে হলে আগে দেখুন সেটি ঠিক বের হচ্ছে কি না। সক্রিয় ইনপুটে অন্য চিহ্ন আসতে পারে, অথবা আপনি ভুল কী বেছে নিতে পারেন। পড়ার সময় অন্য চিহ্ন মনে হলে সেটিও আলাদা কারণ। ছোট জায়গায় তুলনা করে সিদ্ধান্ত নিন। সব ক্ষেত্রে পুরো বাক্য ধীর করা দরকার না হলেও সংশ্লিষ্ট অংশ সতর্কভাবে করা উপকারী পরীক্ষা হতে পারে।
কী দেখতে হলে লেখায় কীভাবে ফিরবেন
এখনো কোনো কী দেখতে হলে প্রথমে কোন অক্ষর দরকার তা স্পষ্ট করুন। উপলব্ধ নির্দেশ দেখে তার জায়গা বুঝুন। তারপর পর্দার লেখায় ফিরুন এবং বর্তমান অংশ টাইপ করুন। শুধু কীবোর্ডের দিকে তাকিয়ে থাকলে পরের অক্ষর বা ফাঁক বাদ যেতে পারে। পুরো বাক্যে বারবার চোখ ঘোরানোর বদলে অনিশ্চিত অংশটিই পরীক্ষা করুন।
ফিরে এসে দেখুন কতটুকু লেখা হয়েছে। আগের অংশ শেষ হয়েছে কি না এবং পরের অক্ষর কী, তা পড়ুন। অবস্থান ভুলে গেলে অনুমান করে এগোবেন না। শেষ লেখা অংশের সঙ্গে মূল লেখা তুলনা করুন। এতে কী ভুলে যাওয়া আর লেখার জায়গা ভুলে যাওয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়। দুই সমস্যার জন্য একই অনুশীলন বেছে নেওয়ার দরকার নেই।
নিজের জন্য ছোট লক্ষ্য রাখতে পারেন, যেমন পরিচিত একটি অংশ পর্দা দেখে লেখা। সন্দেহ হলে নির্দেশ পড়ুন। নির্দিষ্ট সময়ে অভ্যাস বদলে যাওয়ার কোনো শর্ত ধরে নেওয়ার দরকার নেই। ভুল আউটপুট বারবার দিয়ে কেবল নিচে না তাকানোর চেষ্টা করার বদলে সঠিক জায়গা এবং সঠিক রূপ বোঝাকে পরের কাজ করুন।
পুনরাবৃত্ত ভুলকে ছোট পরীক্ষায় বদলান
“আমার বাংলা টাইপিং হয় না” অনেক বড় সিদ্ধান্ত। “এই কারচিহ্নটি বদলে যাচ্ছে” একটি স্পষ্ট সমস্যা। ফল বা নিজের কাজ দেখার সময় এমন বিবরণ বেছে নিন যা পরের পদক্ষেপ বলে। সব ভুল একইভাবে সমাধান করতে হয় না। ভুল পড়া, সক্রিয় ইনপুটের অমিল এবং পাশের কী চাপা আলাদা বিষয়।
| যা দেখছেন | প্রথম পরীক্ষা | পরের ছোট কাজ | | --- | --- | --- | | অনেক কী আলাদা রূপ দিচ্ছে | সক্রিয় জাতীয় ইনপুট | বিন্যাস মিলিয়ে আবার দেখুন | | একটি কারচিহ্ন বদলাচ্ছে | মূল এবং লেখা রূপ | ছোট অংশ পড়ে কী পরীক্ষা করুন | | পাশের কী বারবার চাপা হচ্ছে | আঙুলের শুরু ও দিক | সেই নড়াচড়া সতর্কভাবে করুন | | শব্দ জুড়ে যাচ্ছে | শব্দের মাঝের সীমা | পরের শব্দের আগে ফাঁক দেখুন | | লেখায় জায়গা হারাচ্ছেন | শেষ লেখা অংশ | পরের অক্ষর চিনে এগোন |
নিজের বর্তমান সমস্যার সঙ্গে মেলে এমন একটি সারি বেছে নিন। তারপর এক পরিবর্তন পরীক্ষা করুন। একইসঙ্গে ইনপুট, পড়ার পদ্ধতি এবং গতি বদলালে কোনটি প্রভাব ফেলেছে বোঝা কঠিন হতে পারে। ছোট পরীক্ষা মানে একটি অক্ষরে সব সময় আটকে থাকা নয়; কারণ বুঝে বর্তমান কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।
পাঠের ফল পড়ে পরের সিদ্ধান্ত নিন
পাঠ শেষ হলে ফল ও সারাংশ পড়ুন। পাঠের মূল্যায়ন এবং তারকার নিজস্ব নিয়ম আছে। এগুলোকে গতি পরীক্ষার WPM বা নির্ভুলতার হিসাব ধরে পড়বেন না। সব পাঠে একই গতির সীমা আছে, এমন অনুমানও করবেন না। বর্তমান নির্দেশ এবং ফল আপনার পরের কাজ বেছে নেওয়ার প্রসঙ্গ দেয়।
আবার করতে চাইলে কারণ ঠিক করুন। নির্দেশ পুরো বোঝেননি, কোনো একটি রূপ বারবার বদলেছে, নাকি ফাঁক বাদ গেছে? পরেরবার সেই বিষয় পরীক্ষা করুন। পরিকল্পনা ছাড়া শুধু সংখ্যাটি বদলানোর জন্য পুনরাবৃত্তি করলে ভুলের কারণ পরিষ্কার নাও হতে পারে। নির্দিষ্ট প্রশ্ন নিয়ে কাজ করলে নিজের পরিবর্তন দেখা সহজ হয়।
এগোতে চাইলে পরের পাঠের নির্দেশ পড়ুন। আগের কাজের সব নড়াচড়া নতুন কাজেও একইভাবে প্রয়োগ করতে হবে, এমন নয়। প্রস্তাবিত পাঠ কী করতে বলছে দেখুন। কখনো আগের নির্দেশ আবার পড়া, কখনো সংশ্লিষ্ট অংশ পুনরায় করা, কখনো নতুন কাজ শুরু করা উপযুক্ত হবে। নিজের বাস্তব কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
একটি উদাহরণমূলক শেখার ক্রম
প্রথমে পাঠ খুলে ইনপুট মিলিয়েছেন, এমন ভাবুন। কাজ করতে গিয়ে দেখলেন একটি কারচিহ্নে থামছেন। নির্দেশ এবং সংশ্লিষ্ট রূপ পড়ুন। ফলের পরে দেখুন একই জায়গায় সমস্যা হয়েছে, নাকি অন্য অংশেও হয়েছে। পরের চেষ্টায় সেই চিহ্ন পড়া এবং সংশ্লিষ্ট নড়াচড়া পরীক্ষা করুন।
এরপর শেখা বিষয় বাক্যে ব্যবহার করতে চাইলে অনুশীলন খুলুন। প্রতিটি নতুন বাক্যের সক্রিয় অংশ পড়ে কাজ করুন। কোনো কী আবার অস্পষ্ট লাগলে পাঠে ফিরে নির্দেশ দেখা একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত। আলাদা মাপ দরকার হলে পরীক্ষায় শর্ত বেছে নিন। এই ক্রম একটি উদাহরণ; আপনার বর্তমান নির্দেশ এবং ফলই বাস্তব পরের কাজের ভিত্তি।
বাংলা টাইপিং অনুশীলনে শেখা বিষয় ব্যবহার করুন
বাংলা টাইপিং অনুশীলন এ বর্তমান বাক্য শেষ হলে পরেরটি আসে। উপলব্ধ উপাদান এবং কীভিত্তিক তথ্য ব্যবহার করে কাজ বেছে নেওয়া হয়। সেখানে পাঠে বোঝা নড়াচড়া যুক্ত লেখায় ব্যবহার করতে পারেন। একটি ভুলের পরেই একই কী নিয়ে পরের বাক্য আসবে, এমন ধরে রাখবেন না। নিজের মনোযোগ পরের উপযুক্ত অংশে প্রয়োগ করুন।
কী কোথায় বুঝেছেন এবং সেটি বাক্যে ব্যবহার করতে চান, এমন হলে অনুশীলন বেছে নিন। মূল নির্দেশ পরিষ্কার না হলে আগে পাঠে ফিরুন। একটি কাজকে অন্যটির বদলি ভাবার দরকার নেই। নিজের উদ্দেশ্য এক বাক্যে বলুন: এখন শেখা নড়াচড়া শব্দের মাঝখানে ব্যবহার করব। এভাবে পরের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার থাকে।
বাংলা টাইপিং টেস্ট দিয়ে আলাদা মাপ নিন
বাংলা টাইপিং টেস্ট এ সময়, শব্দ সংখ্যা বা নিজের লেখা বেছে কাজ করতে পারেন। তুলনার জন্য ইনপুট, যন্ত্র এবং বিকল্প একই রাখুন। পাঠের তারকা এবং পরীক্ষার WPM আলাদা নিয়মে পড়তে হয়। একটি ফল অন্যটির সরাসরি বদলি নয়।
পরীক্ষার পরে ভুলের কারণ দেখলে সংশ্লিষ্ট কাজ বেছে নিন। কী চিনতে সমস্যা হলে নির্দেশ পড়ুন; বাক্যে নড়াচড়া স্থির করতে চাইলে অনুশীলন করুন। শুধু নতুন পরীক্ষা খুললেই কারণ বোঝা হয়ে যায় না। মাপকে পরের কাজের তথ্য হিসেবে ব্যবহার করুন এবং দরকার অনুযায়ী শেখা বা অনুশীলনে ফিরুন।
পাঠ বন্ধ করার আগে পরের কাজ মনে রাখুন। কোন নির্দেশ পরিষ্কার হয়েছে এবং কোন অংশ আবার দেখতে হবে, তা একটি ছোট বাক্যে লিখতে পারেন। পরে ফিরে এলে শুধু আগের সংখ্যাটি নয়, নিজের প্রশ্নটিও দেখুন। এতে নতুন পাঠ শুরু করার আগে বর্তমান প্রয়োজন বোঝা যায়। নিজের নোট পাঠের নির্দেশের বদলি নয়; বর্তমান কাজ খুলে নির্দেশ আবার পড়ুন।
পাঠ সম্পর্কে প্রশ্ন
প্রথমবার কোন পাঠ খুলব?
প্রথম পাঠ খুলে নির্দেশ পড়ুন। আগে কাজ করে থাকলে অগ্রগতি অনুযায়ী প্রস্তাবিত পাঠ দেখুন। বর্তমান কাজ বুঝে টাইপ করা শুরু করুন।
অসমাপ্ত কাজ কোথা থেকে চালাব?
পাঠের ধারায় প্রস্তাবিত জায়গা দেখুন। সেখানে পরের, চলমান বা প্রথম অসমাপ্ত পাঠ আসতে পারে। খুলে নির্দেশ এবং বর্তমান অবস্থান বুঝে এগোন।
কোন বাংলা কীবোর্ড ব্যবহার করব?
এই সংস্করণের জন্য সক্রিয় ইনপুট জাতীয় কীবোর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। অন্য বিন্যাসে একই কী থেকে আলাদা আউটপুট আসতে পারে। প্রয়োজনীয় রূপের সঙ্গে মিল পরীক্ষা করুন।
এখনো কী দেখতে হলে কী করব?
অনিশ্চিত কী সম্পর্কে নির্দেশ দেখুন, জায়গা চিনুন এবং পর্দার লেখায় ফিরে নড়াচড়া করুন। কতটুকু লেখা হয়েছে এবং পরের অক্ষর কী, তা আবার পড়ুন।
পাঠের তারকা কি পরীক্ষার গতির মতো?
না। পাঠের মূল্যায়ন ও তারকার নিজস্ব নিয়ম আছে। ফল এবং নির্দেশ পড়ে এগোন বা পুনরায় করুন। সব পাঠে একই পরীক্ষা সীমা ধরে নেবেন না।
পাঠের পরে অনুশীলন করব নাকি পরীক্ষা?
বাক্যে শেখা বিষয় ব্যবহার করতে অনুশীলন করুন; আলাদা শর্তে মাপ নিতে পরীক্ষা বেছে নিন। কী বা নির্দেশ অস্পষ্ট হলে আগে পাঠের নির্দেশ আবার পড়ুন।
শেখা শুরু করুন: জাতীয় ইনপুট মিলিয়ে পাঠ খুলুন। নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করে ফলের পরে একটি স্পষ্ট পরের পদক্ষেপ বেছে নিন।