t typekute
পরিসংখ্যান
BN
মেট্রিক্স: গতি: নির্ভুলতা: স্কোর: 0
বর্তমান কী: -
সব কী:
সকালে
বাজারে
যাওয়ার
পথে
ছাতা
নিতে
ভুলে
গেলাম।
ফেরার
সময়
বৃষ্টি
নামল
পাশের
দোকানদার
হেসে
ছাতা
এগিয়ে
দিলেন
আর
টিনের
চালের
নিচে
রেডিওর
গান
ভেসে
আসছিল।
সকলে
মিলে
ভেজা
সবজি
বাঁচিয়ে
বাড়ি
ফিরলাম।

বাংলা টাইপিং অনুশীলন করুন

বর্তমান বাক্য কপি করুন, তারপর পরের সক্রিয় বাক্যে যান। জাতীয় কীবোর্ডের সঙ্গে ইনপুট মিলিয়ে কাজ করুন। প্রতিটি ভুল একসঙ্গে বদলানোর চেষ্টা না করে একটি স্পষ্ট বিষয় বেছে নিয়ে অনুশীলন চালান।

বাংলা টাইপিং অনুশীলন: বর্তমান বাক্য অনুসরণ করুন

এখানে একটি বাক্য বর্তমান কাজ এবং পরেরটি প্রস্তুত করা হয়। প্রথমটি শেষ হলে পরেরটি সক্রিয় হয়। প্রতিবার নতুন বাক্য নিজে বেছে নিতে হয় না। কোন অংশে এখন টাইপ করতে হবে তা পড়ুন। পরের বাক্য দেখা গেলে আগে পড়া প্রস্তুতি হতে পারে, কিন্তু তার শব্দ বর্তমান লেখায় যোগ করার দরকার নেই।

শুরুতে ছোট অংশ পড়ুন। শব্দ চিনে ফেললেও অক্ষর, কারচিহ্ন এবং ফাঁক আলাদা করে দেখুন। অর্থের ভিত্তিতে বাক্য অনুমান করে লিখলে ছোট শব্দ বাদ যেতে পারে। আবার শুধু দূরের শেষ অংশ দেখে গেলে বর্তমান জায়গা হারাতে পারেন। এখনকার শব্দ এবং তার কাছের সীমায় নজর রাখুন, তারপর পরের অংশে এগোন।

অনুশীলনের ধাপ

  1. সক্রিয় ইনপুট জাতীয় কীবোর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। চাওয়া অক্ষর ও লেখা আউটপুটে অমিল থাকলে আগে বিন্যাস দেখুন।
  2. বর্তমান বাক্য পড়ুন। কারচিহ্ন, শব্দের ফাঁক এবং বিরামচিহ্নও কপি করার অংশ, তাই শুরুতেই সেগুলো লক্ষ্য করুন।
  3. সক্রিয় স্থানে টাইপ করুন। নিজের পছন্দের বানান বসাবেন না এবং পরের বাক্য আগেভাগে শুরু করবেন না।
  4. ভুল হলে মূল রূপের সঙ্গে তুলনা করুন। ভুল পড়েছেন, পাশের কী চেপেছেন, নাকি সক্রিয় ইনপুট অন্য রূপ দিয়েছে, তা আলাদা করুন।
  5. বাক্য শেষ করে পরের সক্রিয় কাজ অনুসরণ করুন। উপাদান আসতে অপেক্ষা হলে প্রস্তুত কাজ পাওয়ার পরে এগোন।
  6. গতি, নির্ভুলতা এবং কীভিত্তিক তথ্য পড়ুন। পরের বাক্যের জন্য একটি ছোট বিষয় বেছে নিন, যেমন শব্দের সীমায় ফাঁক দেওয়া।
  7. গতি বা নির্ভুলতার দিকে মনোযোগের বিকল্প থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিন। বর্তমান বাক্যেও সেই মনোযোগ বদলানো যায়।

জাতীয় কীবোর্ডে আউটপুট মিলিয়ে শুরু করুন

এই সংস্করণ জাতীয় বিন্যাসের জন্য। অন্য বাংলা ইনপুটের অভ্যাস থেকে চাপা কী ভিন্ন অক্ষর দিতে পারে। কয়েকটি অক্ষর বারবার একইভাবে আলাদা বের হলে প্রথমে সক্রিয় ইনপুট পরীক্ষা করুন। কেবল গতি কমানো বিন্যাসের অমিলের সমাধান নয়। অন্যদিকে একটি ভুল দেখে সঙ্গে সঙ্গে পুরো ব্যবস্থা বদলানোরও দরকার নেই।

তিনটি বিষয় আলাদা করে ভাবুন: মূল লেখায় কী আছে, কী নড়াচড়া করেছেন এবং কী বের হয়েছে। মনে অন্য শব্দ পড়ে থাকলে প্রথমে পড়ার জায়গা ঠিক করুন। ঠিক পড়েছেন কিন্তু অন্য রূপ এসেছে, এমন হলে ইনপুট ও সংশ্লিষ্ট কী দেখুন। কখনো ঠিক, কখনো পাশের অক্ষর এলে শুরু এবং দিক পর্যবেক্ষণ করুন। একই লক্ষণের জন্য একাধিক কারণ হতে পারে।

ইনপুট ঠিক করার পরে সংশ্লিষ্ট রূপ আবার পরীক্ষা করুন। একটি সাধারণ অক্ষরও মিলিয়ে দেখুন। তারপর বর্তমান বাক্যে ফিরে কতটুকু লেখা হয়েছে তা পড়ুন। প্রস্তুতি পরীক্ষা করতে গিয়ে মনে পরের শব্দে চলে গেলে না পড়ে টাইপ করা নতুন ভুল তৈরি করতে পারে। সক্রিয় স্থানে ফিরে এসে পরের অক্ষর স্পষ্ট করে এগোন।

অক্ষর ও কারচিহ্ন ঠিক কপি করুন

বাংলা শব্দের অর্থ বোঝা এবং তার সঠিক রূপ টাইপ করা একই কাজ নয়। কারচিহ্ন বদলালে আউটপুট আলাদা হয়। মূল লেখার রূপ অনুসরণ করুন। অন্য বানান আপনার পরিচিত হলে সেটি নিজের থেকে বসাবেন না। এই কাজের লক্ষ্য সামনে থাকা লেখা কপি করা, তার অর্থের ভিত্তিতে নতুন বাক্য তৈরি করা নয়।

চিহ্ন কোথায় দেখা যাচ্ছে তা দেখে কী চাপার ক্রম অনুমান করবেন না। জাতীয় ইনপুট এবং দেওয়া নির্দেশের সঙ্গে কাজ মিলিয়ে নিন। রূপ ঠিক না হলে ছোট অংশ তুলনা করুন। কোন অক্ষর দরকার, কোন চিহ্ন যুক্ত আছে এবং কী লেখা হয়েছে তা আলাদা করে দেখুন। পুরো বাক্য দ্রুত আবার করলে একই ছোট পার্থক্য চোখ এড়াতে পারে।

উদাহরণমূলক পরিস্থিতি

ধরা যাক “দিন” এর বদলে “দীন” লিখেছেন। আগে কারচিহ্নের পার্থক্য দেখুন। ভুল শব্দ পড়ে থাকলে পরেরবার সংশ্লিষ্ট রূপ চিনে শুরু করুন। ঠিক পড়ে থাকলে কী এবং ইনপুট পরীক্ষা করুন। একই দৃশ্যমান ভুলের জন্য পরের পদক্ষেপ আলাদা হতে পারে। শুধু মোট গতি নিয়ে ভাবলে এই কারণ বোঝা যায় না।

আরেকটি পরিস্থিতিতে “এই কাজ” হয়েছে “এইকাজ”। অক্ষর আছে, কিন্তু মাঝের ফাঁক নেই। এখানে শব্দের সীমা পড়া এবং space দেওয়া পরের কাজ। আগের ভুল কারচিহ্নে ছিল বলে প্রতিটি নতুন ভুলও সেই কারণেই হয়েছে ধরে নেবেন না। বাস্তব আউটপুট থেকে বর্তমান কারণ বেছে নিন।

শব্দের সীমা ও বিরামচিহ্ন দেখুন

পরের শব্দ শুরু করার আগে ফাঁক আছে কি না দেখুন। দুটো শব্দ জুড়ে গেলে শুধু শেষ অক্ষর নয়, মাঝের সীমা তুলনা করুন। অতিরিক্ত ফাঁক এলে দেখুন পড়তে থামার সময় আবার space চাপছেন কি না। দুই ক্ষেত্রে একই সমাধান নাও হতে পারে। সীমা দেখে একটি সচেতন নড়াচড়া বেছে নিন।

বিরামচিহ্ন নিজের সাধারণ লেখার অভ্যাস অনুযায়ী বদলাবেন না। মূল লেখায় দেওয়া চিহ্ন এবং তার পাশের ফাঁক অনুসরণ করুন। অর্থ পরিষ্কার হলেও চিহ্ন বাদ দিলে আউটপুট আলাদা থাকে। শেষের চিহ্ন অনুমান না করে পড়ুন। সামনে একটু পড়ে নেওয়া প্রস্তুতি, মাঝের লেখা বাদ দেওয়ার অনুমতি নয়।

যে চিহ্নে বারবার থামছেন, সেটি ঠিক বের হচ্ছে কি না জেনে নিন। ইনপুট ভিন্ন চিহ্ন দিতে পারে, অথবা ভুল কী বেছে নিতে পারেন। ভুল পড়ে থাকলে সেই তুলনাও দরকার। সংশ্লিষ্ট ছোট অংশ দেখুন। কেবল পুরো বাক্য ধীর করা প্রতিটি কারণের উত্তর নয়, কিন্তু চিহ্নটি চিনে সতর্কভাবে লেখা একটি স্পষ্ট পরীক্ষা।

লক্ষণ থেকে পরের কাজ বেছে নিন

“অনেক ভুল” কথাটিকে ছোট বিবরণে বদলান। “পরের শব্দের আগে ফাঁক বাদ যাচ্ছে” বা “একটি কারচিহ্ন বদলাচ্ছে” পরের পদক্ষেপ বলে। কীভিত্তিক তথ্য পড়ার সময় নিজের বাস্তব লেখাও তুলনা করুন। একটি তথ্য দেখে সব সমস্যার কারণ একই ধরে নেওয়া দরকার নেই।

| লক্ষণ | আগে দেখুন | পরের ছোট কাজ | | --- | --- | --- | | একই কী সবসময় অন্য রূপ দেয় | সক্রিয় ইনপুট | জাতীয় বিন্যাস মিলিয়ে আবার দেখুন | | কারচিহ্ন পড়তে বদলে যায় | মূল শব্দের রূপ | সংশ্লিষ্ট অংশ আবার পড়ুন | | পাশের কী চাপা হয় | আঙুলের শুরু ও দিক | সেই স্থানান্তর সতর্কভাবে করুন | | শব্দ জুড়ে যায় | শব্দের সীমা | পরের শব্দের আগে ফাঁক দেখুন | | ছোট শব্দ বাদ যায় | পড়ার বর্তমান জায়গা | কাছের অংশ পড়ে এগোন |

নিজের কাজের সঙ্গে মেলে এমন সারি বেছে নিন। এই তালিকা কোনো নির্দিষ্ট বাক্যের ফল বলে না; এটি কারণ আলাদা করার পদ্ধতি। আগে পরীক্ষা করুন, তারপর একটি পরিবর্তন করুন। ইনপুট, পড়া এবং গতি একইসঙ্গে বদলালে কোনটি প্রভাব ফেলেছে বোঝা কঠিন হতে পারে।

একবার মনোযোগ ঠিক হলে পরের উপযুক্ত জায়গায় সেটি ব্যবহার করুন। শব্দের সীমা লক্ষ্য করলে প্রতিটি সীমা দেখুন, শুধু আগের ভুল শব্দের অপেক্ষায় থাকবেন না। সংশ্লিষ্ট কারচিহ্ন না এলে অন্য চিহ্নকে তার বদলি ধরে পরিবর্তন করবেন না। বর্তমান লেখার প্রয়োজন অনুযায়ী কাজ করুন।

পরের বাক্য কীভাবে আসে

পরিকল্পনায় প্রস্তুত উপাদান এবং শব্দের ভাণ্ডার থেকে তৈরি কী অনুশীলন ব্যবহার করা হয়। কীভিত্তিক তথ্য চাহিদা বুঝতে কাজে আসে। সাম্প্রতিক কাজ বিবেচনা করে একই উপাদান বারবার না আসার চেষ্টা করা হয়। এটি প্রতিটি বাক্য নিজে বেছে নেওয়ার সংগ্রহ নয়।

একটি ভুলের পরেই পরের বাক্য শুধু সেই কী নিয়ে হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উপলব্ধ উপাদান এবং অন্য তথ্যও বাছাইয়ের অংশ। নিজের মনোযোগ পরের উপযুক্ত স্থানে প্রয়োগের জন্য রাখুন। কোনো অক্ষর সঙ্গে সঙ্গে না এলে নিজের থেকে সেটি বাক্যে যোগ করবেন না। সক্রিয় কাজ অনুসরণ করুন।

পরের উপাদান পেতে অপেক্ষা হলে সেটিকে টাইপিংয়ের ভুল মনে করবেন না। উপাদান প্রস্তুত হওয়া বা সংযোগের প্রয়োজন হতে পারে। সক্রিয় বাক্য পাওয়ার পরে পড়ে এগোন। ওই জায়গায় নিজের পছন্দের বাক্য লিখে বিরতি পূরণ করা এই ধারার কাজ নয়। নিজের লেখা দিয়ে আলাদা মাপ নিতে চাইলে পরীক্ষার উপযুক্ত বিকল্প আছে।

গতি, নির্ভুলতা ও কীভিত্তিক তথ্য পড়ুন

গতিকে একা সিদ্ধান্তের ভিত্তি করবেন না। নির্ভুলতা এবং কীভিত্তিক তথ্য সঙ্গে পড়ুন। গতি বাড়লেও একই জায়গায় বারবার ভুল হলে সেই নড়াচড়ায় মনোযোগ দিতে পারেন। আউটপুট ঠিক কিন্তু একটি কী খুঁজতে থামলে তার অবস্থান আবার বোঝা পরের স্পষ্ট কাজ। একটি সংখ্যা এই দুই পরিস্থিতির পুরো বিবরণ দেয় না।

কোনো কীতে ভুলের তথ্য দেখলেই শুধু আঙুলের গতি কারণ, এমন ধরে নেবেন না। ভুল কারচিহ্ন পড়া বা ইনপুটের অমিলও প্রভাব ফেলতে পারে। মূল রূপ এবং লেখা রূপ তুলনা করুন। তারপর একটি ছোট কাজ বেছে নিন। “এই সীমা পড়ব” একটি কার্যকর নির্দেশ; “সব ভালো করব” পরের পরীক্ষা বলে না।

আগের বাক্য থেকে পরের সিদ্ধান্তের সম্পর্ক পরিষ্কার রাখুন। লক্ষণ দেখুন, কারণ পরীক্ষা করুন, একটি নড়াচড়া বেছে নিন এবং প্রয়োগ করুন। একই কারণ থাকলে প্রতিটি বাক্যে নতুন পরিকল্পনা করতে হয় না। নতুন লক্ষণ এলে পুরোনো কারণ সব জায়গায় প্রয়োগ না করে আবার তুলনা করুন।

গতি বা নির্ভুলতার মনোযোগ কখন বদলাবেন

বিকল্প উপলব্ধ থাকলে বর্তমান দরকার অনুযায়ী গতি বা নির্ভুলতার দিকে মনোযোগ বেছে নিন। বর্তমান বাক্যেও সেটি বদলানো যায়। প্রথম পছন্দ সবসময় রেখে দেওয়া জরুরি নয়, তবে কারণ ছাড়া বারবার পরিবর্তনও দরকার নেই। তথ্য পড়ে বুঝুন এখন কোন কাজ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

নির্ভুলতার মনোযোগ একটি কারচিহ্ন ঠিক পড়ার কাজে লাগতে পারে। গতির মনোযোগ বেছে নিলেও মূল লেখা ঠিক কপি করতে হয়। ফাঁক বা চিহ্ন নিজের থেকে বাদ দেওয়া তার অংশ নয়। পছন্দকে নির্দিষ্ট নড়াচড়ায় বদলান। মূল নির্দেশ পরিষ্কার না হলে আগে পাঠ দেখুন; শুধু মনোযোগের বিকল্প বদলানো সেই বোঝার বদলি নয়।

একটি উদাহরণমূলক অনুশীলন সেশন

শুরুতে ইনপুট মিলিয়ে বর্তমান বাক্য পড়লেন, এমন ভাবুন। দেখলেন শব্দের মাঝের ফাঁক বাদ যাচ্ছে। পরের বাক্যে সব অক্ষরের গতি বদলানোর বদলে সীমা পড়ার দিকে মন দিন। শেষ হলে তথ্য দেখুন। একই সমস্যা আছে কি না জেনে নিন। এখন অন্য কারচিহ্ন বদলালে সেটিকে আলাদা কারণ হিসেবে পরীক্ষা করুন।

এই উদাহরণে নির্দিষ্ট নম্বর লক্ষ্য নয়। একটি কারণ বোঝা এবং একটি কাজ পরীক্ষা করাই উদ্দেশ্য। সংখ্যা বাড়ল বা কমল, তার সঙ্গে আপনি কী করেছেন তাও দেখুন। একসঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেলে পরেরবার পরীক্ষা ছোট করুন। বাস্তব নির্দেশ এবং প্রতিক্রিয়া পরের সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

পাঠ বা বাংলা টাইপিং টেস্টে কখন যাবেন

কী বা নির্দেশ পরিষ্কার না হলে বাংলা টাচ টাইপিং পাঠ খুলুন। বর্তমান কাজের নির্দেশ পড়ুন এবং সংশ্লিষ্ট অবস্থান বুঝুন। না বুঝে অনেক বাক্য লেখা সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর নয়। পরিষ্কার হলে অনুশীলনে ফিরে নড়াচড়া প্রয়োগ করুন।

আলাদা শর্তে মাপ দরকার হলে বাংলা টাইপিং টেস্ট বেছে নিন। সময়, শব্দ সংখ্যা বা নিজের লেখা ঠিক করুন। তুলনার জন্য ইনপুট, যন্ত্র ও বিকল্প একই রাখুন। পাঠের তারকা, অনুশীলনের তথ্য এবং পরীক্ষার হিসাবকে এক নিয়ম ভাববেন না। প্রতিটি ফল সেই কাজের প্রসঙ্গে পড়ুন।

বিরতির পরে বর্তমান কাজ চিনে নিন

বিরতির পরে ফিরে এলে আগে দেখুন কোন বাক্য এখন সক্রিয়। আগের বাক্যের শেষ শব্দ মনে আছে বলেই সেই জায়গা থেকে লিখতে শুরু করবেন না। মূল লেখা এবং ইতিমধ্যে লেখা অংশ মিলিয়ে পরের অক্ষর ঠিক করুন। ইনপুটের অবস্থা বদলেছে কি না দেখুন, বিশেষ করে যন্ত্রের অন্য কাজে অন্য বিন্যাস ব্যবহার করলে। তারপর একটি ছোট অংশ সতর্কভাবে লিখে বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করুন।

পরের মনোযোগ আগের মতোই দরকার কি না সেটিও ভাবুন। আগে শব্দের ফাঁক লক্ষ্য করেছিলেন, কিন্তু এখন একটি চিহ্ন আলাদা বের হচ্ছে, এমন হলে প্রথমে চিহ্নের আউটপুট পরীক্ষা করুন। পুরোনো পরিকল্পনা বর্তমান সমস্যার সঙ্গে মেলেনি দেখলে তা বদলানো যায়। একইসঙ্গে কয়েকটি পরিবর্তন না করে একটি কারণ পরীক্ষা করুন। বিরতি নেওয়াকে কোনো ভুলের নম্বর মনে না করে সক্রিয় কাজ পড়ে পরিষ্কারভাবে আবার শুরু করুন।

অনুশীলন সম্পর্কে প্রশ্ন

প্রতিটি বাক্য কি আমি বেছে নিই?

না। পরিকল্পনা উপলব্ধ উপাদান থেকে পরের কাজ বেছে নেয়। সক্রিয় বাক্য অনুসরণ করুন। নিজের লেখা দিয়ে আলাদা মাপ চাইলে পরীক্ষায় উপযুক্ত বিকল্প নিন।

যে কীতে ভুল করেছি সেটিই কি পরের বাক্যে আসবে?

তা নিশ্চিত নয়। কীভিত্তিক তথ্য ব্যবহার হয়, কিন্তু উপাদান ও অন্য বাছাইও গুরুত্বপূর্ণ। নিজের মনোযোগ পরের উপযুক্ত অংশে প্রয়োগ করুন।

কারচিহ্ন ও বিরামচিহ্ন ঠিক কপি করতে হবে?

হ্যাঁ। অক্ষর, কারচিহ্ন, ফাঁক ও চিহ্ন মূল লেখার সঙ্গে মিলিয়ে লিখুন। অর্থ বোঝা গেলেও নিজের থেকে রূপ বদলানোর দরকার নেই।

তথ্যের মধ্যে আগে কী দেখব?

আগে এমন ভুল দেখুন যার কারণ আলাদা করে পরীক্ষা করা যায়। গতি, নির্ভুলতা ও সংশ্লিষ্ট কীভিত্তিক তথ্য একসঙ্গে পড়ুন। তারপর একটি ছোট কাজ বেছে নিন।

বাক্যের মধ্যে মনোযোগ বদলাতে পারি?

হ্যাঁ, গতি ও নির্ভুলতার বিকল্প থাকলে বর্তমান বাক্যেও বদলাতে পারেন। দরকার অনুযায়ী বেছে নিয়ে একই সক্রিয় লেখা অনুসরণ করুন।

পাঠ বা পরীক্ষা কখন খুলব?

নির্দেশ দরকার হলে পাঠ; আলাদা মাপ দরকার হলে পরীক্ষা বেছে নিন। শেখা নড়াচড়া যুক্ত লেখায় ব্যবহার করতে চাইলে অনুশীলন চালিয়ে যান।

অনুশীলন করুন: জাতীয় ইনপুট মিলিয়ে বর্তমান বাক্য পড়ুন। একটি স্পষ্ট মনোযোগ নিয়ে পরের সক্রিয় কাজ অনুসরণ করুন।